অনেকেই ইফতার শুরু করেন খেজুর দিয়ে...খেজুরে আছে স্যুগার, ফাইবার বা আঁশ এবং বিভিন্ন মিনারেলস... ফাইবার হজমের জন্য খুব-ই উপকারী.. যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা তাদেরও ভালো উপকারে আসবে.... খেজুর খাওয়ার পরে অনেকে চিনি দিয়ে বানানো জুস খান...এইসবের পরিবর্তে পানি খাওয়া ভালো... সুযোগ থাকলে ডাবের পানি খেতে পারেন.....ডাবের পানিতে পটাসিয়াম থাকে এবং শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতি পূরণেও সহায়তা করবে.... তবে বাসায় বানানো ফলের জুস খাওয়া যেতে পারে চিনি না মিশিয়ে.....খেজুর আর পানি খাওয়ার পরে বিভিন্ন ফলমূল খাওয়া যেতে পারে....এছাড়া ইফতারে ভেজিটেবল স্যুপ খাওয়া যেতে পারে...প্রোটিনের চাহিদা মেটানোর জন্য হালিম খেতে পারেন.. ইফতারে ছোলা খেলে কম তেল দিয়ে ভাজা ই ভালো...
আমরা ইফতারে সাধারণত বেগুনি, পেয়াজু এইসব খেয়ে থাকি যেগুলো ডুবু তেলে ভাজা এবং স্বাস্থ্যের জন্য খুব-ই ক্ষতিকর.... জিলাপি ও বুন্দিয়াও তেলে ভাজা এবং চিনিতে ভরপুর... এইসব খাবার এড়িয়ে যাওয়াটাই ভালো... এরপরে একটা ব্রেক দেওয়া যেতে পারে নামাজ পড়ার জন্য..... ব্রেকের পরে আপনার খাবারের প্লেটে ৪ ধরনের খাবার রাখবেন..... অর্ধেক খাবার রাখবেন সবজি আর ফলমূল... আর অর্ধেকে নিবেন লাল চালের ভাত বা লাল আটার রুটি এবং মাছ,মাংস, ডাল অর্থাৎ প্রোটিন জাতীয় খাবার.... লাল চাল বা লাল আটাতে অনেক ধরনের ফাইটো নিউট্রিয়েন্টস, ভিটামিন, মিনারেলস, ফাইবার থাকে যা সাদা চালে থাকে না.... সবজি বা মাছ-মাংস রান্নায় অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করবেন না... এই রান্নাগুলোতে অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে ভালো.. ইফতারে অতিরিক্ত ভোজন ত্যাগ করা-ই ভালো.... ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত কমপক্ষে ১০ গ্লাস বা ২.৫ লিটার পানি খেতে হবে.... পানির পাশাপাশি পানি জাতীয় খাবার যেমন তরমুজ, শসা এইসবও খেতে পারেন..... চা-কফি দিয়ে পানিশূন্যতা পূরণের চেষ্টা না করা-ই ভালো... এইবার আসি সেহরির ব্যাপারে... সেহরিতে এমন খাবার আমাদের বেছে নিতে হবে যে খাবার অনেকক্ষণ ধরে আমাদের পেটে থাকবে মানে যে খাবারে ফাইবার বেশি.... সেহরিতে সাদা চালের ভাত খেলে তা খুব তাড়াতাড়ি হজম হয়ে যায় এবং অনেকক্ষণ ধরে এনার্জি দিতে পারে না.... একটু পরে ক্ষুধা লেগে যায়... তাই সেহরিতে লাল চালের ভাত খাওয়া-ই উত্তম..... এক গ্লাস দুধ বা দই খেতে পারেন যা আপনাকে সারাদিন এনার্জেটিক রাখবে... বাদাম খাওয়া যেতে পারে.... বাদামে ভালো ফ্যাট থাকে... পেটে অনেকসময় ধরে থাকে এবং হজম হতে সময় লাগে.....কলা, আপেল, কমলা খেতে পারেন.... ভাত দিয়ে ঘন ডাল খেতে পারেন.... সিদ্ধ ডিম খেতে পারেন..... অনেকে সেহরিতে অতিভোজন করে থাকেন যার ফলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে.....
Tags:
Food
%20-%202023-03-25T021635.464.jpeg)